বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার লালমনিরহাটে পুলিশের মতবিনিময় সভা পঞ্চগড়ে রাস্তার পাশের খালে ব্যবসায়ীর মরদেহ, তদন্তে পুলিশ-সিআইডি গাজীপুরে চোরাই গরু উদ্ধার করে বিপাকে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ আদর্শ ইসলামিক ক্যাডেট স্কুলের অভিভাবক সমাবেশ, ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণী ৯ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, একই শ্মশানে পাশাপাশি চিতা বকশীগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ! পঞ্চগড় পৌরসভায় ২৭টি ডাস্টবিন বিতরণ তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ, পঞ্চগড়ে ক্ষুব্ধ সংবাদকর্মীরা পঞ্চগড়ে সুইসগেট ভাঙার এক বছরেও হয়নি সেতু, দুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান শিবরাম স্কুলের নুহা
তারেক রহমানকে কাঁদালেন কে এই আদিবা

তারেক রহমানকে কাঁদালেন কে এই আদিবা

ডেস্ক রিপোর্ট:: পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের কান্না ও আর্তনাদে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ‘গুম’ হওয়া বাবার জন্য যখন তাদের সন্তানরা কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন, তখন তারেক রহমানও নিজের আবেগ সামালাতে পারেননি।


শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘গুম-খুনের শিকার’ নেতাকর্মীদের পরিবারের সম্মিলন অনুষ্ঠানে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এবং ‘মায়ের ডাক’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

হারানো সন্তানদের ফিরে পাওয়ার আশায় থাকার কথা অনুষ্ঠানে পুনর্ব্যক্ত করেন তাদের মায়েরা। তাদেরই একজনকে দেখা যায়, বিএনপি চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে ধরে আর্তনাদ করতে।

বংশাল থানা ছাত্রদলের নেতা পারভেজ হোসেন ২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ। এরপর থেকে তার অপেক্ষায় রয়েছেন স্ত্রী ফারজানা আক্তার ও তাদের মেয়েসহ পরিবারের সদস্যরা।

কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমানকৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান
অনুষ্ঠানে মাকে নিয়ে এসেছিলেন পারভেজের মেয়ে আদিবা ইসলাম হৃদি। বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণের আকুতির কথা তুলে ধরেন তিনি।

২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর শাহবাগ থেকে ‘গুম’ হন বংশাল ছাত্রদলের এই নেতা। তাকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করে আসছেন স্বজনরা। এ গুমের ঘটনার বিচার এবং পারভেজের সন্ধান দাবি করে আসছেন তারা।


অনুষ্ঠানে কান্না বিজড়িত কণ্ঠে আদিবা বলেন, ‘বছর যায়, নতুন বছর আসে কিন্তু আমাদের বাবা আর আসে না। ৫ আগস্টের পর এক বছরের বেশি সময় পার হয়ে গেল, কিন্তু আমি বাবাকে ফিরে পাইনি।’

তিনি বলেন, ‘আমার ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার, কিন্তু সেই স্বপ্ন এখনো পূরণ হয়নি। আমি কি বাবাকে ফিরে পাব না? আর কত বছর অপেক্ষা করতে হবে আপনারাই বলুন?’

এই কথা বলেই অঝোরে কাঁদতে থাকেন হৃদি। এ সময় মঞ্চে বসা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। টিস্যু দিয়ে চোখ মছুতে দেখা যায় তাকে। পুরো অনুষ্ঠানস্থলে আবেগঘন পরিস্থিতি তৈরি হয়।

অনুষ্ঠানে ‘গুম’ হওয়া বাবার কথা বলতে এসেছিলেন আরেক মেয়ে সাফা। মাত্র দুই মাস বয়সে নিখোঁজ হয় তার বাবা মো. সোহেল। তিনি বংশাল ছাত্রদলের সহসভাপতি ছিলেন। ২০১৩ সালের পর থেকে তার খোঁজ পায়নি পরিবার।


কাঁদতে কাঁদতে সাফা বলে, ‘এক যুগ ধরে বাবার জন্য অপেক্ষা করছি। অনেক জায়গায় গিয়েছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো খোঁজ পাইনি বাবার। আমি আর কত দিন খুঁজব বাবাকে?’


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com